ভোটের আবহে রাজ্য রাজনীতি যখন টানটান, ঠিক সেই সময়ে টলিউডের সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। প্রসেনজিতের বাড়ি গিয়ে রামমূর্তি উপহার সুকান্তর, ভোটের আগে বাড়ছে জল্পনা—এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্বাভাবিকভাবেই চর্চার কেন্দ্রে চলে আসে টলিপাড়া ও রাজনৈতিক মহল। সিনেমা ও রাজনীতির এই অদ্ভুত সংযোগ কি নিছক সৌজন্য, না কি এর নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও সমীকরণ—সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে।
শনিবার সকালেই আচমকা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। এই সাক্ষাতের খবর সামনে আসতেই ফের একবার আলোচনায় উঠে আসে—প্রসেনজিতের বাড়ি গিয়ে রামমূর্তি উপহার সুকান্তর, ভোটের আগে বাড়ছে জল্পনা। ভোটের মুখে কোনও জনপ্রিয় তারকাকে ঘিরে রাজনৈতিক উপস্থিতি মানেই স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি কৌতূহল।

এই সাক্ষাতে সবচেয়ে নজরকাড়া বিষয় ছিল প্রসেনজিতের হাতে সুকান্ত মজুমদারের রামলালার একটি মূর্তি তুলে দেওয়া। রাজনৈতিক আবহে এই উপহার আলাদা মাত্রা পেয়েছে বলেই মত অনেকের। তাই আবারও জোরালো হয়েছে আলোচনা—প্রসেনজিতের বাড়ি গিয়ে রামমূর্তি উপহার সুকান্তর, ভোটের আগে বাড়ছে জল্পনা। যদিও সূত্রের খবর, এই উপহার ছিল সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক এবং সাংস্কৃতিক আবেগ থেকেই দেওয়া।
ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, সদ্য পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হওয়ায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে শুভেচ্ছা জানাতেই এই সাক্ষাৎ। রাজনীতি নয়, বরং শিল্পীর প্রতি সম্মান জানানোই ছিল মূল উদ্দেশ্য। তবুও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—প্রসেনজিতের বাড়ি গিয়ে রামমূর্তি উপহার সুকান্তর, ভোটের আগে বাড়ছে জল্পনা কেন এতটা তীব্র হয়ে উঠল? উত্তর লুকিয়ে রয়েছে সময়ের সমীকরণে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বেশ কিছুক্ষণ প্রসেনজিতের বাড়িতেই ছিলেন সুকান্ত মজুমদার ও রুদ্রনীল ঘোষ। আলোচনার বড় অংশ জুড়ে ছিল সিনেমা জগত, অভিনয় ও বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান পরিস্থিতি। রাজ্য ও দেশের সার্বিক অবস্থা নিয়েও হালকা কথাবার্তা হয়েছে। তবু ভোটের আগে এই সাক্ষাৎ ঘিরে বারবার ফিরে আসছে একই প্রশ্ন—প্রসেনজিতের বাড়ি গিয়ে রামমূর্তি উপহার সুকান্তর, ভোটের আগে বাড়ছে জল্পনা।

উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগেই টলিউডের আরেক প্রবীণ অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের বাড়িতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সাক্ষাৎ নিয়েও কম চর্চা হয়নি। তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার প্রসেনজিতের বাড়িতে বিজেপি নেতৃত্বের উপস্থিতি—ফলে আরও একবার সামনে এসেছে প্রসেনজিতের বাড়ি গিয়ে রামমূর্তি উপহার সুকান্তর, ভোটের আগে বাড়ছে জল্পনা।
সব জল্পনার অবসান টানতে প্রসেনজিতের বাড়ি থেকে বেরিয়ে সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “এই সাক্ষাৎ একেবারেই রাজনৈতিক নয়। সব কিছুর পিছনে রাজনীতি খোঁজার প্রয়োজন নেই। শিক্ষা ও ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে রাজনীতির বাইরে রাখাই ভালো।” তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে উঠে আসে—প্রসেনজিতের বাড়ি গিয়ে রামমূর্তি উপহার সুকান্তর, ভোটের আগে বাড়ছে জল্পনা, কিন্তু বাস্তবে এর সঙ্গে ভোটের কোনও যোগ নেই।
তবু বাস্তব এটাই—ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই প্রতিটি সৌজন্য সাক্ষাৎ, প্রতিটি উপহার, প্রতিটি ছবি রাজনৈতিক রঙে রাঙানো হচ্ছে। প্রসেনজিৎ নিজে এখনও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু না বললেও, এই সাক্ষাৎ যে টলিউড ও রাজনীতির সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিল, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। আর সেই কারণেই বারবার উঠে আসছে একটাই লাইন—প্রসেনজিতের বাড়ি গিয়ে রামমূর্তি উপহার সুকান্তর, ভোটের আগে বাড়ছে জল্পনা।





