কলকাতায় ফের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কয়লা কেলেঙ্কারি (Coal Scam) মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate) সাম্প্রতিক অভিযান নতুন করে আলোচনায় এনে দিয়েছে পুরনো অভিযোগগুলিকে। তদন্তকারীদের বক্তব্য ঘিরে এখন শহর জুড়ে একটাই চর্চা— কলকাতার কয়লা কেলেঙ্কারিতে ইডির বড় অভিযানে বাজেয়াপ্ত ৪ কোটি টাকা। কীভাবে এত বিপুল সম্পদ গোপনে জমা হয়েছিল, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জোরদার অনুসন্ধান।
ইডি (ED Raid) সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকার সোনার গহনা (Gold Jewellery)। পাশাপাশি মিলেছে ২৮ লক্ষ টাকা নগদ (Cash)। একই মামলায় অন্য এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে প্রায় ১ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে। সব মিলিয়ে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন— কলকাতার কয়লা কেলেঙ্কারিতে ইডির বড় অভিযানে বাজেয়াপ্ত ৪ কোটি টাকা—যা এই মামলার আর্থিক দিকটি আরও স্পষ্ট করছে।
প্রায় দু’মাস আগে শুরু হওয়া কয়লা পাচার (Coal Smuggling) সংক্রান্ত এই তদন্তে ধাপে ধাপে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ইডি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল, এই চক্রের সঙ্গে প্রায় ১৭০ কোটিরও বেশি টাকার দুর্নীতির যোগ থাকতে পারে। সাম্প্রতিক উদ্ধার সেই সন্দেহকে আরও জোরদার করেছে। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে আর্থিক লেনদেনের জটিল চিত্র।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে সিবিআই (CBI Investigation) রেলের বিভিন্ন সাইডিং এলাকা থেকে কয়লা চুরির অভিযোগে তদন্ত শুরু করে। সেই সময় উঠে আসে অনুপ মাঝি ওরফে ‘লালা’র নাম। বর্তমান তদন্তে ধৃতদের বিশেষ ইডি আদালতে পেশ করা হয়েছে। টাকার উৎস, সোনার গহনার হিসাব এবং সম্ভাব্য বড় চক্র—সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত মহলের মতে, কলকাতার কয়লা কেলেঙ্কারিতে ইডির বড় অভিযানে বাজেয়াপ্ত ৪ কোটি টাকা—এই ঘটনাই ইঙ্গিত দিচ্ছে, সামনে আরও বড় তথ্য প্রকাশ্যে আসতে পারে।




